দেশি পন্য উৎপাদন ও ক্রমাগত মানুন্নয়ন

দেশি পন্য উৎপাদন ও ক্রমাগত মানুন্নয়ন এর জন্য যে পরিমান বিপনন পদ্ধতি জানা দরকার তা আমাদের দেশীয় বেশির ভাগ উদ্যোক্তার জানা নেই।

যে কোন পন্যের সম্ভাব্য ক্রেতা যে দেশের ১৬ কোটির বাইরেও আছে তা ব্যবহারে দেশীয় উদোক্তারা ভীত সতন্ত্র বা পদ্ধতি জানেন না বলেই আমি মনে করি। এই ধরুন লিটন ভাই উগান্ডাই মাছ পাঠান কিনা কিংবা কিভাবে পাঠাতে হই সেটায় জানেন কিনা। কিংবা সেটা জানলেও সেক্ষেত্র প্রাইসিং কিভাবে করতে হয় সেটা জানেন কিনা এটা একটা বড় সংশয়ের ব্যাপার৷

কয়েকটি দিকে দেশিয় পন্য উৎপাদন কারীদের নজর দেয়া উচিত বলে আমি মনে করি।

১. সম্ভাব্য সকল আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেসে নিজেদেরকে অন্তর্ভুক্তি করন। যেমন এমাজন, ইবে, আলিবাবা , আলিএক্সপ্রেস, এটসি ইত্যাদি।

২. খুচরা বিক্রির সাথে লট হিসেবে বিক্রির জন্য স্পেশাল চ্যানেল ডেভেলপ করা

৩. প্রাথমিক ভাবে মার্কেট এ একই ধরনের অন্য দেশি পন্য গুলির সমমান বজায় রেখে কিছুটা মুল্য সামঞ্জস্যতা রাখা

৪. দেশি পন্য উৎপাদন ব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি শুধু একজন পাটের পন্য নিয়ে কাজ করলে তা দিয়ে মার্কেট ধরা যাবেনা৷ তাই দেশীয় উদোক্তাদের একটি বন্ধুত্ব পূর্ন সম্পর্ক ও জরুরি।

৫. ক্যাটালগ ম্যানেজ করা শিখতে হবে যাতে স্টক, কোন চ্যানেল কত সেল হচ্ছে ভবিষৎ উৎপাদনের লক্ষ্য বের করা যায়।

৬. এসোশিয়েশনের উচিৎ সকল দেশি পন্য উৎপাদনকারীদের সমসাময়িক ভাবে অন্তত্য ইন্ডিয়ান দের মত হলেও আপডেট করে নেয়ার জন্য ট্রেনিং ( বিনামুল্যে) এর ব্যবস্থা করা।

কয়েকটি ব্যাপারে সরাসরি সরকারী সাহায্য প্রয়োজনঃ

  • আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গ্রহনের ও তা টাকায় রুপান্তরের একটি স্বচ্ছ সিস্টেম এ দেশে গড়ে তোলা। সেটা সরকারী ভাবে নগদের মত করে হলেও হবে, তবে সেখানে যেন ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে ক্রেতা বা সেবা গ্রহনকারীরা পন্য প্রদান করতে পারেন।
  •  পোস্ট অফিস আন্তর্জাতিক সিপিং কে আরো সহজ বোধ্য করে তুলতে হবে। এছাড়া বাল্ক পন্য পরিবহনের জন্য সংশ্লিষ্ট কোম্পানি সমুহকে প্রনোদনা প্রদান করা উচিত ( যাতে রেট উদোক্তার নাগালে চলে আসে) ।

আরো অনেক কিছুই খুজে বের করার আছে আমাদের দেশিয় উৎপাদন ব্যবস্থাপনা থেকে। আপনাদের মতামত আশা করছি।

Author

Write A Comment