আশীর্বাদ নাকি অভিশাপ

 

আশীর্বাদ-নাকি-অভিশাপ ।বিজ্ঞান সম্পর্কে এ রকম একটি রচনা স্কুল জীবনে কতবার পড়েছি তার কোন ঠিক নেই ।ঠিক তেমনি প্রযুক্তির বিস্ময় সূচক আবিষ্কার বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশেষ করে ফেসবুক সম্পর্কেও এমন কথা শোনা যায় প্রায়ই ,যখন অনাকাংখিত ঘটনা ঘটে ।এর কারণ ও আবশ্যই আছে।আমাদের মত তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশের সাধারণ মানুষের (আমিসহ ) বিনোদনের অভাবে ভুগি নিত্য দিন ।তাই অন্যের বিপদ ,সহিংতা ,কুৎসা রটানো ও গুজবের মাঝে আনন্দ খুজে বেড়াই নিত্যদিন।তার মাধ্যম হল সহজ লভ্য ফেসবুক বা অন্যান্য সামাজিক মাধ্যম ।এই সুযোগে আবার কিছু তেলবাজ ইউটিউব সেলিব্রেটি প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে বসে বাংলাদেশে ফেসবুক বন্ধ করে দেওয়ার জন্য ।কি ভয়ংকর ?তাহলে বিশ বা ত্রিশ হাজার এফ কর্মাস ও অন্যান্য ব্যবসায়িরা কি করবে ?

হ্যা মূলত বিজ্ঞান বলুন বা সামাজিক যোগাযোগর মাধ্যম বলুন সবকিছুর একটা সাধারণ ব্যবহার আছে ।সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলো মূলত হাসি ঠাট্রা ,আনন্দ  বিনোদনের জন্য হলেও এর ভিতরে যেহেতু “যোগাযোগ” শব্দটা আছে ,সতরাং ব্যবসা নিশ্চয়ই আছে ।কারণ আধুনিক ব্যবসার মূলমন্ত্রই হলো নেটওয়ার্কিং বা পারস্পারিক যোগাযোগ ।আর ব্যবসায়িক সুযোগ টাকে ,ভালভাবে কাজে  লাগাতে হলেই প্রয়োজন,কিছু সুনির্দিষ্ট কৌশল যেটাকে আমরা মার্কেটাররা বলি সোশাল মিডিয়া মার্কেটিং।এটি ছোট বড় সকল ধরনের ব্যবসায়িদের জন্য অত্যন্ত শক্তিশালী মাধ্যম ,তাদের কাস্টমারদের কাছে নিজেদের কে উপস্থাপণ করার জন্য ।প্রতি মুহূর্তেই মানুষজন নানা ধরনের ব্রান্ডের সাথে মত বিনিময় করছে সোশাল মিডিয়াতে ।সুতরাং দেরি করলেই লেট হয়ে যাবে।

আশীর্বাদ-নাকি-অভিশাপ?আসুন এখন জেনে নেই কেন সব ধরণের ব্যবসায়িদের সোশাল মিডিয়া মার্কেটিং কৌশল থাকা প্রয়োজন:

১।আপনার সম্ভাব্য কাস্টমার এখানে ঘুরে  বেড়াচ্ছে প্রতিদিন:

বিভিন্ন পত্র পত্রিকা ও বিশেজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে একথা বলা যায় যে ,বাংলাদেশের প্রায় নয় কোটি মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করছে ।এর ভিতরে ৫৫% প্রতিদিন ফেসবুক ব্যবহার করে ,৪৫% এর ৭০ শতাংশ মানুষ প্রতি ঘণ্টায় নিউজ ফিড চেক করে এবং দিন দিন এটা বেড়েই চলেছে ।আপনি অনলাইনে নিয়মত থাকলে এই বিপুল পরিমাণের মানুষের যে কোন একটা ভাগ আপনার সাথে নিশ্চয়ই থাকবে ।সুতরাং কাস্টমারের জন্য জন্য অপেক্ষা করার  দিন শেষ ।আপনিই চলে যান তাদের কাছে এবং কথা বলুন আপনার সম্ভাব্য ক্রেতাদের সাথে কি-বোর্ডের মাধ্যমে ।

 

২।ব্রান্ড ভয়েস ছড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ:

মার্কেটিং সার্পা নামের একটি জরিপ সংস্থার মতে ১৮ থেকে ৩৪ বেশির ভাগ তরুন তরুণী অনন্দ ও বিনোদনের পাশাপাশি তাদের পছন্দের ব্রান্ডকেও অনুসরণ করে ।আমাদের দেশে এই সংখ্যা ৩ কোটি হবে বলে আমার বিশ্বাস ।এটা বিশাল সুযোগ ,শুধু তাদের চাহিদা মতো কনটেন্ট ব্যবহার করে আপনি খুব সহজেই তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ।যদি আপনি এখন কোন কনটেন্ট তৈরি করতে পারেন যা আপনার ব্রান্ড ভ্যালু তৈরির পাশাপাশি ,সোশাল মিডিয়া বাসির জন্য উপকারি বা ইমোশনাল এটাসমেন্ট বা মোটিভেশন তৈরি করে ।তাহলে আপনার কাজ শেষ ,বাকী যা করার ইউজাররাই করবে ।এভাবে খুব সহজে এবং দ্রুততম উপায়ে কাস্টমারের সাথে আপনার কোম্পানির অর্থনৈতিক কানেকশন তৈরি হয় ।

৩। চোখের আড়াল হলেই মনের আড়াল হয়ে যায়:

যতই লুতুপুতু প্রেম হোক না কেন চোখের আড়াল হলেই ভেজাল ।সুন্দরি মেয়ে ও পয়সাওয়ালা ছেলেদের পিছনে লাইন লেগেই থাকে ।বর্তমানে সময়ে ব্যবসা বিশেষ করে অনলাইন ব্যবসা সে রকম হয়ে গেছে ,কাস্টমারের অভাব নেই ।সুতরাং সব সময় আপনার কাস্টমাদের চোখের সামনে থাকুন ।এর ফলে নতুন কাস্টমার ও পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে ।যেমন হঠাৎ যদি প্রথম কেউ আপনার পণ্য বা ব্রান্ড দেখে ,তার পর দিন বা সপ্তাহে কোন খোজ নেই ,আবার কনসিটেন্সি ছাড়া ভিন্ন ভিন্ন পোষ্ট যদি কেউ দেখে তাহলে বিশ্বাস যোগ্যতা হারিয়ে যাবে ।অন্য দিকে ধারাবাহিকতা ধরে রেখে বিভিন্ন সোশাল মিডিয়ায় আপনার ব্রান্ড উপস্থিতি ও ইউনিক আইডেন্টি তৈরিতে সহায়তা করে ।উদাহরণ চন্ডিদাস ও রজকিনি ।

৪।সার্চ ইঞ্জিনে র‍্যাংকিংয়ে উন্নয়নে সহায়তা:

যদিও SEO তে হাজারো গুরুত্বপূর্ন ফাক্টর রয়েছে তারপর ও একটা পজেটিভ সোশাল মিডিয়া প্রোফাইল যথেষ্ট কার্যকরী ।যখন আপনি কোন লিংক শেয়ার করেন ,যদি এটি লাইক ,কমেন্ট বা শেয়ার বেশি হয় গুগল একটা সিগন্যাল পায় ,আপনি নিশ্চয় কোন ভ্যালু এ্যাড করছেন ।এভাবে ব্রান্ড এ্যায়ারনেস তৈরি হয় এবং বেশি বেশি ইনবাউন্ড ট্রাফিক ভিজিট করে আপনার সাইটে ।এছাড়া প্রোফাইল লিংক আপনাকে আরো অথোরেটি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে ।ধরুন কেউ একজন আপনার ব্রান্ড নেম দিয়ে সার্চ করলো গুগলে ,তখন যদি গুগলের পুরো প্রথম পাতা জুড়ে শুধু আপনার বিভিন্ন সোশাল মিডিয়া লিংক ও বিভিন্ন সময়ে শেয়ার করা কনটেন্ট দেখে ,সে নিশ্চয়ই আপনার ব্রান্ডকে অবহেলা করতে পারবে না।এখন আপনার ব্রান্ডের জন্য এটা চেক করে দেখুন ।

 

৫।প্রোডাক্ট ও কনটেন্ট অনুযায়ী সোশাল সাইট বেছে নিন:

অনেকগুলো আপশন থাকাতে আমরা আমরা আমদের পণ্য বা সার্ভিসের ধরন অনুযায়ি চ্যানেল নির্বাচন করতে পারি ।প্রত্যেক ব্যবসায়ির উচিৎ এটা নিয়ে একটু চিন্তা ভাবনা করা ।কিন্ত বেশির ভাগই চিন্তা করে শুধুমাত্র ফেসবুকেই সবাই দেখবে কিন্ত না ,শুধু মাত্র বাংলাদেশের কন্টেষ্টে চিন্তা করলেও অন্তত ফেসবুক আর ইনসট্রাগ্রাম এই দুইটাতে মার্কেটিং করা ।ফেসবুকে যদি ও তিন কোটি  একটিভ ইউজার থাকে ইনস্ট্রাগ্রামেও আছে ।কোটি ফেসবুকে যেমন একটু লং ভিডিও ও যে কোন ধরনের ইনফোগ্রাফিক কনটেন্ট দিয়ে কাস্টমারের কাছে পৌছানো যায়,ইনস্ট্রাগ্রামে পনের সেকেন্ডের ভিডিও এবং ক্রিয়েটিভ ছবি ও হ্যাশ ট্যাগ দিয়ে টার্গেট কাস্টমারের কাছে পৌছানোর সুযোগ রয়েছে B2B যোগাযোগের জন্য ।

৬।পেইড বিজ্ঞাপনে সঠিক কাস্টমার ধরে রাখুন (ঝোপ বুঝে কোপ মারুন):

একথা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মত সোশ্যাল মিডিয়াগুলো তাদের ব্যবসায়িক পলিসি কিছুটা পরিবর্তন করেছে।সুতরাং আপনাকে ও কিছুটা কৌশলী হতে হবে ।অর্গানিক ক্যাম্পেইন চালাতে চালাতেই ,সময়মত পেইড বিজ্ঞাপনের সাহায্য নিন ।এতে করে আপনার পেজটি যেমন সজিব হয়ে উঠবে ,সাথে সাথে ওয়েবসাইটেও নতুন নতুন ট্রাফিক আসবে ।ফেসবুক এ্যাড প্লাটফর্মের মাধ্যমে আপনি তাদের কে বন্দি করে ফেলতে পারেন।এমনকি সঠিক দক্ষতা থাকলে ,আপনি যাদের কে চান তাদের কেই আপনার সাইটে আনতে পারবেন ।এরপর পিক্সেলের সাহায্যে তাদের পিছনে একটা স্পাই লাগিয়ে ,তারা সারাদিন কই যায় কি করে সব খবরা খবর আপনি পাবেন ,প্রয়োজনে গোপন  ব্লাক মেইল করে যখন খুশি ডেকে পাঠাতে পারবেন । 

 

৭।দামেও সস্তা মানেও সেরা :

একজন ব্যবসায়ি হিসাবে আপনার পণ্য বা ব্রান্ডের বিজ্ঞাপনের কয়টি পন্থা আপনি চোখ বুজে ভাবতে পারেন ।আচ্ছা আমি বলে দিচ্ছি ,ডিরেক্ট মেইল,টিভি, রেডিও,ম্যাগাজিন ,সংবাদপত্র,বিলবোর্ড ও আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া ।বর্ণিত বিষয়গুলোর মধ্যে সব থেকে কম খরচে ১০০০ জনের কাছে পৌছানো সম্ভব শুধুমাত্র সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ।খরচ মাত্র ২দশমিক ৫০ ডলার।অন্যথায় টিভি বা রেডিওতে যা ৩০ ডলারের কাছাকাছি ।সংবাদপত্র বা বিলবোর্ডে ১০ ডলারের আশেপাশে ।তবুও এ মাধ্যমগুলোতে টার্গেট করা সম্ভব না ।অনেকটা অন্ধকারে ঢিল ছড়ার মত,তা মৌমাছির চাকে নাকি চৌধুরির সাহেবের জানালার কাচে লাগবে তা আপনি জানেন না ।আর একটা বিষয় ,সোশাল মিডিয়াতে এংগেজমেন্ট থাকার কারণে আপনি আগে থেকেই জানেন ভোক্তারা কি চায়,সে সব অনুযায়ি ডিজাইন করতে পারবেন।তাতে সোশাল এ্যংগেজমেন্ট আরো বাড়বে ,তারা লয়েল কাস্টমারে পরিনত হবে।

 

৮।আপনার মার্কেট শেয়ার ধরে রাখুন:

আপনি কি ধরনের পণ্য বা সার্ভিস নিয়ে কাজ করছেন এটা কোন ব্যাপারই না ।আপনার সম্ভাব্য ক্রেতারা অবশ্যই এখানে বিচরণ করছে ।হয়তো তারা আপনার প্রতিযোগির ব্রান্ডের সাথে ইমোশনালি জড়িয়ে যাচ্ছে।এটা অনেকটা আমাদের মত অবিবাহিত ছেলেদের অবস্থার মত যে,যে আমার ভবিষ্যতের বউ এমন কারো হাত  ধরে বা রিক্সায় ঘুড়ে বেড়াচ্ছে ।সুতরাং দেরি করবেন না ।এখনি শুরু করুন ,নিয়মিত কনটেন্ট ক্রিয়েট করুন ,কিছু ভ্যালু এ্যাড করুন ।অবশ্যই আপনি আপনার মার্কেট শেয়ার ফিরে পাবেন,আর প্রতি মুহূর্তে আপডেট থাকার জন্য আপনার প্রতিযোগিদের পেজে লাইক দিয়ে টর্চ লাইটের মত সর্তক দৃষ্টি রাখুন ।

 

৯।কনভার্সন রেট বেশি:

অন্যান্য যে কোন মাধ্যমের থেকে সোশাল মিডিয়ার লিডে কনভার্সন রেট বেশি ।কারণ প্রত্যেকবার যখন আপনি কিছু পোস্ট করেন ক্রেতারা নতুন করে ইন্টারেকশন করে ।আর তখনি আপনি সুযোগ পেয়ে সরাসরি যোগাযোগের,যার মাধ্যমে আগ্রহী থেকে কাস্টমারের পরিনত করতে পারেন ।প্রতিনিয়ত যোগাযোগের মাধ্যমে ক্রেতাগণ আপনার ব্রান্ডের প্রতি এক ধরনের ভালবাসা ও বিশ্বাস স্থাপন করে ফেলে।এই সুযেগেই আপনার ব্রান্ডের আরো ভাল দিকগুলো ফুটিয়ে তুলতে হবে।যত মানবিক মূল্যবোধ দুনিয়ায় আছে ,সব এক জায়গায় জড়ো করুন।জাতীয় অনুভূতি বা অন্যান্য যে কোন সচেতনামূলক ইস্যু নিয়ে কনটেন্ট তৈরি করতে বলুন আপনার এ্যাডভাইজার কে ।ব্যাস হয়ে গেল ।এভাবেই দিনের পর দিন আপনার কনভার্সন বেড়েই চলবে।

 

১০।রিভিউ ফ্রম হ্যাপি কাস্টমারঃ

বড় বড় কোম্পানীগুলো ব্রান্ড ভ্যালু বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন ধরণের প্রোগ্রাম ও সামাজিক দায়িত্ব পালন করে ।ছোট বা মাঝারি কোম্পানিগুলো এই কাজটা সোশাল মিডিয়া করতে পারে ।এটা ব্যক্তিগত সম্পর্ক বৃদ্ধিতে খুবই কার্যকরি পদ্ধতি ।আপনি যদি আপনার কাস্টমার কে বোঝাতে পারেন যে,আপনি তাদের কে কেয়ার করেন ,তারাই পরবর্তীতে বিভিন্ন ফোরাম গ্রুফে আপনার জন্য যুদ্ধ করবে ।প্রতিযোগিদের আপনার আশেপাশে আসতে দিবে না ।একটা কথা ট্রাডিশনাল বিজনেসে ওয়ার্ড অফ মাউথ কথাটা খুবই শোনা যায় ।ঠিক সেই জায়গা টা এখন ধরে নিয়েছে কাস্টমার রিভিউ।একটা জরিপে দেখা গিয়েছে ৭২ শতাংশ অনলাইন ক্রেতা সোশাল প্রুফ বা কাস্টমার রিভিউ দেখে ব্রান্ডের প্রেমে পড়ে যায় এবং তারা যদি ভাল সার্ভিস পায় ,পরবর্তীতে তারাই আপনার ব্রান্ড বিজ্ঞাপন হিসাবে কাজ করবে ।

১১।ব্রেক দ্যা লিমিটেশনঃ

সীমানা ছাড়িয়ে আপনার ক্রেতা সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে  সীমানা ছাড়িয়ে আপনি এমন সব ক্রেতা পাবেন যা আপনি আশা করেন নি ।যখন আপনার ব্রান্ড প্রাথমিক সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হবে ।তখন রেফারেন্স বা রিভিউ( যা নিয়ে আগেই কথা বলেছি ) এর মাধ্যমে প্রচুর ক্রেতা পাবেন ।চায়ের দোকান বা কোন গ্যাদারিংয়ের পরিবর্তে গ্রুফে গ্রুফে আলোচনা হবে আপনার পণ্য বা ব্রান্ড নিয়ে ।এ সময় টাতে ট্রেন্ডিং টপিক নিয়ে বা কোন ইন্ড্রাস্টি ইনফ্লুয়েন্সার যদি আপনার ব্রান্ড নিয়ে কথা বার্তা বলে তো আপনি একধাপ এগিয়ে যাবেন।তবে এগুলো করতে খুব সাজানো পরিকল্পণা নিয়ে এবং সঠিক সময়ে।

 

১২। আরো ভাল্ভাবে বুঝুন আপনার ক্রেতাকেঃ

আপনার ক্রেতাগণ কোন বিষয়গুলোর উপর বেশি আকৃষ্ঠ বা কিসের জন্য তারা বারবার ফিরে আসে,এটা বোঝার জন্য সোশ্যাল মিডিয়ার বিকল্প নেই ।কারণ এখানে সরাসরি মতামত শেয়ার করে ,তারা আপনার ব্রান্ড সম্পর্কে কথা বলে ,ভাল লাগা মন্দ লাগা সব কিছু নিয়ে ।আপনি ভাল ব্যবসায়ি হলে অবশ্যই সেগুলোর গুরুত্ব দিবেন এবং সে অনুযায়ী আপডেট হওয়ার ও সুযোগ তৈরি হয় ।পরবর্তীতে কাস্টমাররা যখন দেখে তাদের পছন্দ কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ,তারা আরো কাছাকাছি চলে আসে আপনার ব্রান্ডের ।বেশি খুশি হলে কেউ কেউ শেয়ার বা মেনশন করে ।তখন নতুন ক্রেতারাও আপনার পণ্য বা সার্ভিসকে বিশ্বাস  করা শুরু করে ।এভাবে চলতে থাকলে আপনার আর পিছু ফিরে তাকানো লাগবে না ।

আরো একটা সুযোগ আছে কাস্টমারদের আচরণ বোঝার জন্য ।এই ধরুন আপনি ইনসাইট টুল দিয়ে ,কোন ধরণের মানুষ জন আপনার ব্রান্ডের প্রতি বেশি আকষর্ণ বা কোন ধরণের পোস্ট তারা পছন্দ করছে ,এমন কি এলাকা বা বয়সে ও কোন সময়ে তারা বেশি অনলাইনে থাকে সেটাও বুঝতে পারবেন।এবং সে অনুযায়ী প্লান রেডি করে পরবর্তী পথ চলা শুরু করুন ।

আশা করি কিছুটা হলেও ধারণা দিতে পেরেছি ।এখন সিন্ধান্ত আপনার ,আপনি সরাসরি সম্ভাব্য ক্রেতাদের ভালমন্দ খেয়াল রাখবেন,নাকি তারা দূরে বসে নিজের মত করে আপনার ব্রান্ডের একটা পারসেপশন করবে।এর জন্য আপনি কি কাংখিত সোশ্যাল মিডিয়া থেকে কাংখিত রেজাল্ট পাচ্ছেন ।প্রথমে একটা ভাল টিম তৈরি করতে পারেন যারা ইনস -আউট সব ধারণা রাখে ।অথবা আমাদের সাহায্য নিতে পারেন ,আপনার ক্রেতাকে সুন্দর ও সজিব অভিজ্ঞতা প্রদানের জন্য

Author

Write A Comment